রবিবার ০৯ মে, ২০২১

চার হেফাজত নেতা ৩ দিনের রিমান্ডে

সোমবার, ১২ এপ্রিল ২০২১, ১৯:০৭

প্রেস নারায়ণগঞ্জ.কম

প্রেস নারায়ণগঞ্জ: নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে হামলা, ভাঙচুর ও অবরোধের ঘটনায় হেফাজতে ইসলামের চার নেতাকে তিনদিনের রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ। সোমবার (১২ এপ্রিল) বিকেলে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আহমেদ হুমায়ূন কবিরের আদালত গ্রেফতার আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশের রিমান্ড আবেদন মঞ্জুর করেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে আদালত পুলিশের পরিদর্শক মো. আসাদুজ্জামান বলেন, সোনারগাঁয়ে সন্ত্রাস বিরোধী আইনে করা দু’টি মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে সাত দিন করে ১৪ দিনের রিমান্ড আবেদন করে পুলিশ। আদালত শুনানি শেষে একটি মামলায় দুই দিন এবং অপর আরেকটি মামলায় একদিন করে মোট তিনদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন।

রিমান্ডপ্রাপ্তরা হলেন: খেলাফত মজলিশের সোনারগাঁ উপজেলা কমিটির সভাপতি ইকবাল হোসেন (৫০), সোনারগাঁ থানা হেফাজতে ইসলামের সভাপতি মাওলানা মহিউদ্দিন (৫০), সাধারণ সম্পাদক মো. শাহাজাহান ওরফে শিবলী (৪৩), সহসভাপতি মুফতি মোয়াজ্জেম হোসেন (৪৯)। গত রোববার বিকেলে রাজধানীর জুরাইন থেকে তাদের আটক করে র‌্যাব-১১ এর একটি দল। পরে সোনারগাঁয়ে নাশকতার মামলার এজাহারনামীয় আসামি হিসেবে গ্রেফতার দেখানো হয়।

র‌্যাব-১১ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্ণেল খন্দকার সাইফুল আলম জানান, সোনারগাঁয়ের রয়েল রিসোর্টে হামলা, ভাঙচুর ও মহাসড়কে নাশকতা মামলার প্রধান আসামি মাওলানা মো. ইকবাল হোসেনসহ ৪ জনকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব। ঘটনার দিন সোনারগাঁ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স মসজিদের ইমাম ও খেলাফতে মজলিশের সোনারগাঁ উপজেলা শাখার সভাপতি মাওলানা মো. ইকবাল হোসেন মাগরিবের নামাযের পর মসজিদের মাইকে উস্কানিমূলক বক্তব্য প্রচার করে লোক জমায়েত করে এবং উক্ত হামলার নেতৃত্ব দেন। এই ঘটনায় গ্রেফতার চারজনই মামুনুল কান্ডে পুলিশের সন্ত্রাস বিরোধী আইনে করা মামলার এজাহারনামীয় আসামি বলে জানিয়েছে র‌্যাব।

গত ১১ এপ্রিল বিকেলে এই চার আসামির সাথে র‌্যাবের হাতে আটক হয়েছিলেন হেফাজতে ইসলামের নারায়ণগঞ্জ মহানগর শাখার সভাপতি মাওলানা ফেরদাউসুর রহমান। পৌনে এক ঘন্টা আটক রাখার পর তাকে ছেড়ে দেয় ব়্যাব-১১ ওই দলটি৷ বিষয়টি নিজেই গণমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন ফেরদাউসুর রহমান। তিনি বলেছিলেন, ‘ঢাকার জুরাইন মাজার মসজিদের সামনে গিয়েছিলাম আমি। সোনারগাঁয়ে যারা আসামি হয়েছেন তাদের ওকালতনামায় স্বাক্ষর আনতে। কোনোভাবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আমাকে ট্র্যাকিং করে হয়তো সেখানে গেছে। আমি সেখানে র‌্যাব-১১ এর দু’টি গাড়ি দেখেছি। তবে সদস্যরা সিভিল পোশাকে ছিল। পরে আমাদের মাইক্রোতে ওঠায়। আমার নামে কোনো মামলা নেই বলছি। পরে আমাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে ছেড়ে দিয়েছে। প্রায় পৌনে এক ঘন্টা তাকে আটক রাখার পর শনির আখড়ায় তাকে মাইক্রো থেকে নামিয়ে দেওয়া হয়।’

এ বিষয়ে র‌্যাব-১১ এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জসিম উদ্দিন চৌধুরী বলেন, হেফাজত নেতা ফেরদাউসুর রহমান কোনো মামলায় আসামির তালিকায় নেই। তাই তাকে আটক করা হয়নি।

সব খবর
নগরের বাইরে বিভাগের সর্বশেষ