রবিবার ০৯ মে, ২০২১

বিনামূল্যে করোনা চিকিৎসা ও শ্রমিক মৃত্যুর বিচার দাবি

বৃহস্পতিবার, ২৯ এপ্রিল ২০২১, ২১:৫৫

প্রেস নারায়ণগঞ্জ.কম

প্রেস নারায়ণগঞ্জ: সকলের জন্য বিনামূল্যে চিকিৎসা, ভ্যাকসিন বিতরণের তুলেছে বাম গণতান্ত্রিক জোট। একইসাথে বাঁশখালীতে শ্রমিক মৃত্যুর ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে বিচার ও নিহতদের উপযুক্ত ক্ষতিপূরণেরও দাবি জানিয়েছেন নেতারা৷

এসব দাবিতে বৃহস্পতিবার (২৯ এপ্রিল) বিকেল ৩টায় নারায়ণগঞ্জ প্রেস ক্লাবের সামনে এ মানববন্ধন করে বাম গণতান্ত্রিক জোটের নারায়ণগঞ্জ জেলার নেতাকর্মীরা৷

প্রতিদিন এক লাখ করোনা টেস্ট, সকলের জন্য বিনামূল্যে চিকিৎসা ও ভ্যাকসিন, কেন্দ্রীয় হাই ফ্লো অক্সিজেন সরবরাহ নিশ্চিত, কারোনাকালে শ্রমজীবীদের জন্য ১ মাসের খাবার ও নগদ ৫ হাজার টাকা প্রদান এবং বাঁশখালিতে শ্রমিক হত্যার বিচার ও নিহতদের উপযুক্ত ক্ষতিপূরণের দাবিতে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

জেলা বাম গণতান্ত্রিক জোটের ও বাসদের সমন্বয়কারী নিখিল দাসের সভাপতিত্বে ও জেলা সিপিবির সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য বিমল কান্তি দাসের সঞ্চালনায় উপস্থিত ছিলেন জেলা সিপিবির সভাপতি হাফিজুল ইসলাম, নারায়ণগঞ্জ সমমনার সভাপতি দুলাল সাহা, জেলা গণসংহতি আন্দোলনের সমন্বয়কারী তরিকুল সুজন, জেলা গার্মেন্টস শ্রমিক ফন্টের সভাপতি সেলিম মাহমুদ, জেলা বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক আবু হাসান টিপু প্রমুখ।

এ সময় বক্তারা বলেন, সরকার আবারও ৫মে পর্যন্ত লকডাউন ঘোষণা করেছে। লকডাউন দেওয়াকালে সরকারের উচিত ছিল জনগণের খাদ্য ও চিকিৎসা নিশ্চিত করে লকডাউন দেওয়া। সেই ভিত্তিতে আমাদের প্রস্তাব ছিল কর্মহীন ও অস্ব”চ্ছল প্রতিজনের জন্য এক মাসের খাবার ও নগদ ৫ হাজার টাকা প্রদান করা। কিন্তু আমাদের বর্তমান সরকার তা না করে চরম দায়িত্বহীনতার প্রকাশ ঘটিয়েছে। আমরা নারায়ণঞ্জ জেলা প্রশাসনকে দেখছি প্রতিদিন ৩০০জনকে ত্রাণ দিতে। এই ত্রানের পরিমান এত নগন্য যে কোটি কোটি শ্রমজীবী ও সাধারণ মানুষ এ ত্রাণ কার্যক্রমের মধ্যে নেই। সরকারী ও বেসরকারী ব্যবস্থাপনায় কিছু হাসপাতাল চালু করার কথা ছিল। কিন্তু হাসপাতাল তো হয়নি বরং স্বাস্থ্যবিভিাগ জুড়ে লুটপাট হয়েছে।

বক্তারা আরও বলেন, আমাদের সরকার স্বাস্থ্যবিভাগে আমাদের জিডিপির মাত্র ১.৪ শতাংশ খরচ করেছে। যার মাধ্যমে আমাদের সরকারের স্বাস্থ্য সম্পর্কিত দৃষ্টিভঙ্গি কতটুকু তলানিতে আছে তা বোঝা যায়। বাঁশখালিতে শ্রমিকরা তাদের দাবি নিয়ে আন্দোলন করলে তাদের উপর গুলি চালানো হচ্ছে। শ্রমিকরা উস্কানিদাতা বলে যারা জীবন দিয়েছে তারা বিশৃঙ্খলা করেছে বলে মামলা করা হয়েছে। এদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করতে দেখা যায়নি আমাদের এ সরকারকে। সেই সাথে বসুন্ধরা গ্রুপের এমডি একটি মেয়েকে হত্যার অভিযোগ এসেছে তারপরেও তার কিছু হলো না। ২০০৩ সালেও এই বসুন্ধরা গ্রুপের এমন ঘটনা দেখেছি। সেখানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে ২০ কোটি টাকা ঘুষ দিয়ে তারা রক্ষা পায়। এসময় এই এস.আলম গ্রুপ ও বসুন্ধরা গ্রুপের দোষীদের বিচারের দাবি জানান নেতৃবৃন্দ।

সব খবর
রাজনীতি বিভাগের সর্বশেষ