২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৪

প্রেস নারায়ণগঞ্জ

প্রকাশিত: ১৫:৩৪, ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৪

চাষাড়ায় কুপিয়ে হত্যার পর লাশ ফেলল মাসদাইরে বাসার সামনে

চাষাড়ায় কুপিয়ে হত্যার পর লাশ ফেলল মাসদাইরে বাসার সামনে

নারায়ণগঞ্জ শহরে মাদক ব্যবসা ও স্থানীয় আধিপত্য বিস্তারের জের ধরে এক যুবককে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। শুক্রবার (৯ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন বলে জানায় পুলিশ৷ পরিবারের অভিযোগ মাসদাইরের অনিক ও তার গ্রুপের লোকেরা এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত। 

নিহত আল-আমিন ওরফে দানিয়েল (২৮) ফতুল্লার মাসদাইর এলাকার দেলোয়ার মিয়ার ছেলে৷

শুক্রবার রাত সোয়া ১১টার দিকে শহরের চাষাড়া বালুরমাঠ এলাকায় দানিয়েল ও তার বন্ধু শুভকে কুপিয়ে জখম করা হয়৷

এ ঘটনায় নিহতের বন্ধু একই এলাকার শাহজালালের ছেলে শুভ (২৪) ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বলে তার স্বজনরা জানিয়েছেন৷

প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ জানায়, প্রতিপক্ষের কয়েকজন লোক ধারালো অস্ত্র দিয়ে দুইজনকে কুপিয়ে জখম করে রক্তাক্ত অবস্থায় ব্যাটারিচালিত রিকশায় নিয়ে যায়।

দানিয়েলের মা মুক্তা বেগম বলেন, স্থানীয় কয়েকজনের সঙ্গে আমার ছেলের বিরোধ ছিল। তারা আমার ছেলেকে নৃশংসভাবে কুপিয়ে রাতের বেলা মাসদাইরে তার বাড়ির অদূরে রাস্তায় ফেলে রেখে যায়৷ নিহতের ছোটভাই দিয়েছে। আমার ছোটভাই তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

"আমার ছেলে চাষাড়ায় এক বন্ধুর সাথে ঘুরতে গিয়েছিল, ফেরে লাশ হয়ে। তাকে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। আমি এই হত্যার বিচার চাই”, যোগ করেন মা৷

দুই বছর আগে দানিয়েলের বিয়ে হয় বলে তার স্বজনরা জানিয়েছেন।

এ ব্যাপারে সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহাদাত হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “চাষাড়া বালুরমাঠ এলাকায় দুজনকে কোপানো হয়েছে বলে আমরা শুনেছি। কিন্তু থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে কাউকে পায়নি।”

ফতুল্লা মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. তসলিম উদ্দিন জানান, “মাদক ব্যবসা ও স্থানীয় আধিপত্য প্রতিষ্ঠা নিয়ে পুরনো বিরোধের জের ধরে ওই ব্যক্তিকে হত্যা করা হয়েছে। প্রতিপক্ষ গ্রুপের লোকজন তাকে সদর থানার চাষাড়া এলাকায় কুপিয়ে জখম করে এবং লাশ মাসদাইর এলাকায় ফেলে দেয়।”

“এক মাস আগে ফতুল্লা এলাকায় দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। নিহত ব্যক্তি সংঘর্ষের ঘটনার মামলার আসামি ছিলেন।”
হত্যার ঘটনার পর রাতেই এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। এ ব্যাপারে থানায় একটি হত্যা মামলা করা হবে বলেও জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা।

সর্বশেষ

জনপ্রিয়