১৬ জুন ২০২৪

প্রেস নারায়ণগঞ্জ

প্রকাশিত: ২৩:২৩, ৬ মে ২০২৪

বন্দরে চেয়ারম্যান প্রার্থীর সমর্থককে তুলে নেওয়ার অভিযোগ

বন্দরে চেয়ারম্যান প্রার্থীর সমর্থককে তুলে নেওয়ার অভিযোগ

নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চিংড়ি প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থী আতাউর রহমান মুকুল তার এক সমর্থক সাবেক এক ইউপি সদস্যকে তুলে নেওয়ার অভিযোগ করেছেন৷

সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে কলাগাছিয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক সদস্য শহীদ হোসেনকে বন্দর থানা ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মাসুদ খান ও তার লোকজন তুলে নিয়ে যান বলে অভিযোগ করেন মুকুল৷

তিনি বলেন, শহীদ এ নির্বাচনে আমার সমর্থনে প্রচার-প্রচারণায় অংশ নিচ্ছে৷ আর মাসুদ খান এ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সমর্থিত চেয়ারম্যান প্রার্থী বন্দর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এমএ রশিদের সমর্থক৷ আমার পক্ষে নির্বাচনে যাতে কাজ না করতে শহীদকে হুমকি দেয় মাসুদ৷ তা না শোনায় তাকে গাড়িতে তুলে নিয়ে যায় মাসুদ ও তার লোকজন৷

মুকুলের ছেলে রেজানুর রহমান রূপণ বলেন, ‘আমরা এ বিষয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও থানার ওসিকে জানিয়েছি৷ থানার ওসি বলেছেন, তারা তাকে উদ্ধার করতে কাজ করছেন৷’

সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার পর থেকে ঘন্টাখানেকেরও বেশি সময় শহীদের মুঠোফোনের নম্বরটি বন্ধ ছিল৷ রাত নয়টার দিকে তার সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে শহীদ বলেন, তিনি বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কক্ষে আছেন৷ এ মুহুর্তে তিনি কথা বলতে পারছেন না৷ থানা পুলিশ বিষয়টি দেখছে বলে জানান তিনি৷

রাত এগারোটার দিকে মুঠোফোনে সাবেক ইউপি সদস্য শহীদ হোসেন বলেন, ‘ভাই ওই ঘটনা নিয়া বেশি কিছু আমার বলার নাই৷ আমি মুকুল সাহেবের নির্বাচনে কাজ করতেছি৷ সন্ধ্যায় বন্দর থেইকা কিছু পোলাপান আমারে নিয়া গেছিল৷ ওগো লগে আমি চা খাইয়া চইলা আসছি৷ আমি থানায় যা বইলা আসছি, তা আপনাকে বলতে পারি৷ এর বাইরে কিছু বলতে পারবো না৷’

মোবাইল বন্ধ থাকার কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘বন্দরে তো এখন কতকিছু হইতেছে সব তো আর বলতে পারতেছি না৷ আপনারা সাংবাদিক মানুষ, সবই তো বোঝেন৷’

তবে, অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সাবেক ছাত্রলীগ নেতা মাসুদ খান৷ তিনি বলেন, ‘আমাদের কেউ এ ঘটনায় জড়িত না৷ আমি তো লোকমুখে শুনছি, সে নাকি থানায় বলছে, সে তার ভাইগ্নাদের সাথে চা খাইতে গেছিল৷’

তবে, এ বিষয়ে জানতে বন্দর থানার ওসি গোলাম মোস্তফার মুঠোফোনে কল করা হলেও তিনি তা রিসিভ করেননি৷

এর আগে বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে মদনপুরে চিংড়ি প্রার্থীর প্রচারণাকালে হামলা চালিয়ে দুইজনকে আহত করা হয়৷ ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ সমর্থিত দোয়াত-কলম প্রতীকের প্রার্থী এমএ রশিদের কর্মীরা এ হামলা চালান বলে অভিযোগ করেন মুকুল৷

গত সোমবার সন্ধ্যায়ও মুকুলের কর্মীসমর্থকদের মদনপুরে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ পাওয়া যায়৷

সর্বশেষ

জনপ্রিয়