১৬ জুন ২০২৪

প্রেস নারায়ণগঞ্জ

প্রকাশিত: ২১:৪৫, ১০ জুন ২০২৪

কাঞ্চন পৌরসভার মেয়র প্রার্থী রফিকের উপর হামলার অভিযোগ

কাঞ্চন পৌরসভার মেয়র প্রার্থী রফিকের উপর হামলার অভিযোগ

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার কাঞ্চন পৌরসভা নির্বাচনের প্রতীক বরাদ্দের সময় মেয়র প্রার্থী রফিকুল ইসলাম রফিকের উপর হামলা ও উপজেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে ভাঙচুর চালানোর ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (১০ জুন) সকালে এই ঘটনার সময় ওই কক্ষে থানা পুলিশের ওসি ও সংশ্লিষ্ট নির্বাচন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ঘটনার পর বিকেলে দুই মেয়র প্রার্থীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়ে তাদের বিরুদ্ধে কেন আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে না সে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্বপ্রাপ্ত জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা কাজী ইস্তাফিজুল হক আকন্দ।

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, বেলা ১১টার দিকে উপজেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে রিটার্নিং কর্মকর্তা কাজী ইস্তাফিজুল হক আকন্দ প্রার্থীদোর মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দিচ্ছিলেন। এই সময় সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা তাজাল্লি ইসলাম, রূপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দীপক চন্দ্র সাহাও উপস্থিত ছিলেন। প্রতীক বরাদ্দ চলাকালীন মেয়র প্রার্থী পৌর যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলামকে চেয়ারে বসা নিয়ে বাধা দেন পৌর বিএনপির বহিষ্কৃত সহসভাপতি দেওয়ান আবুল বাশারের (বাদশা) ও তাঁর সমর্থকরা। এটা নিয়ে দুই মেয়র প্রার্থীর মধ্যে তর্কবিতর্ক হয়, যা পরবর্তীতে হাতাহাতিতে রূপ নেয়। এসময় বাশারের লোকজন রফিক ও তাঁর সমর্থকদের উপর চেয়ার ছুড়ে মারেন এবং সম্মেলন কক্ষে ভাঙচুর চালান।

পুলিশের ওসি দীপক চন্দ্র সাহা জানান, এই সময় সম্মেলন কক্ষের দরজা, জানালা ও প্রজেক্টরও ভাঙচুর করা হয়। পরে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার এক ঘন্টা পর বেলা ১টার দিকে প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়।

রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী বিনা কারণে উত্তেজিত হয়ে পড়েন এবং আমার প্রস্তাবকারীর গায়ে হাত তোলেন। এই বিষয়টি আমার সমর্থকরা মেনে নিতে পারেনি। কে, কী করেছে প্রশাসনের লোকজন সবই দেখেছেন।’

অন্যদিকে আবুল বাশার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তাকে চেয়ারে বসতে না দেওয়ায় সমর্থকরা এর প্রতিবাদ জানায়।

এদিকে, এই ঘটনাটিকে ‘অনাকাঙিক্ষত’ উল্লেখ করে রিটার্নিং কর্মকর্তা ইস্তাফিজুল হক বলেন, ‘দুই প্রার্থীকে শোকজ করে তাদের কাছে লিখিত চাওয়া হয়েছে। পরবর্তীতে নির্বাচনী আচরণবিধি অনুযায়ী তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

সর্বশেষ

জনপ্রিয়