১৬ এপ্রিল ২০২৪

প্রেস নারায়ণগঞ্জ

প্রকাশিত: ২০:৩০, ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৪

চুরি-ছিনতাইয়ের টাকা ভাগাভাগির জেরে খুন, গ্রেফতার ১ 

চুরি-ছিনতাইয়ের টাকা ভাগাভাগির জেরে খুন, গ্রেফতার ১ 

গত বছরের ৯ ডিসেম্বর সকালে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় প্লাস্টিকের বস্তার ভিতর রশি দিয়ে হাত-পা বাঁধা অর্ধগলিত অবস্থায় একটি মৃত দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। প্রাথমিকভাবে পরিচয় শনাক্ত না হওয়ায় পুলিশ বাদী হয়ে অজ্ঞাত আসামিদের নামে হত্যা মামলা  দায়ের করে। পরবর্তীতে সংবাদমাধ্যমে নিহতের ছবি প্রকাশিত হলে তার পরিবার পরিচয় শনাক্ত করে। নিহতের নাম রানা (২৮)। জানা যায় রানা পেশায় একজন ইজিবাইক চালক। 

ওই ঘটনার পর র‍্যাব হত্যার রহস্য উদঘাটনে কাজ শুরু করে। তারই ধারাবাহিকতায় ডিজিটাল প্রযুক্তির সহায়তায় ঘটনার প্রায় আাড়াই মাস পর হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন করতে সক্ষম হয় র‍্যাব-১১। হত্যাকান্ডে সরাসরি জড়িত থাকার অভিযোগে সাব্বির হোসেন (২০) কে ঢাকার শ্যামপুর থেকে আটক করা হয়। সোমবার দুপুরে র‍্যাব-১১ কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক লে. কর্ণেল তানভীর মাহমুদ পাশা বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

সংবাদ সম্মেলনে র‍্যাবের এই কর্মকর্তা আরো জানান, নিহত রানা, আটক সাব্বির ও তার বড় ভাই সাজ্জাদ পেশায় ইজিবাইক চালক। এবং তারা মূলত ছিনতাই ও চুরির সাথে জড়িত ছিলো। ছিনতাই ও চুরির টাকার ভাগাভাগি নিয়ে নিজেদের মধ্যে দন্দ নিরসনের জন্য ঘটনার দিন তারা একত্রে মিলিত হয়। সেই সময় তাদের মধ্যে সমঝোতা না হলে সাব্বির ও সাজ্জাদ মিলে রানাকে উপর্যপুরি ছুরিকাঘাত করে হত্যা করে। পরে দুদিন নিজেদের ঘরের খাটের নিচে কম্বল দিয়ে ঢেকে লাশ লুকিয়ে রাখে। লাশ থেকে গন্ধ বের হতে থাকলে দুদিন পর অর্থাৎ গত বছর ৯ ডিসেম্বর ফতুল্লার সিএসআরএম ডেইরী ফার্মের সামনে রাস্তার উপর লাশটি ফেলে পালিয়ে যায় সাব্বির ও সাজ্জাদ। 

পরে তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে রবিবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর শ্যামপুরে সাব্বিরের অবস্থান নিশ্চিত হয় র‍্যাব। পরে সেখান থেকে তাকে আটক করা হয়। এঘটনার সাথে জড়িত অপর অভিযুক্ত সাব্বিরের ভাই সাজ্জাদকেও আটকের চেষ্টা অব্যাহত আছে বলে জানান র‍্যাব-১১ অধিনায়ক।

সর্বশেষ

জনপ্রিয়